তারেক ফাতে, জেনারেল গগনদীপ বক্সী প্রমুকদের উপস্থিতিতে আগামী ৭ই জানুয়ারি ক্যালকাটা ক্লাবে বালোচিস্তানের উপর প্রস্তাবিত আলোচনাসভা কলকাতা পুলিশের চাপে "অনিবার্য কারনে" বাতিল করে দিল ক্লাব কর্তৃপক্ষ। যদিও একটি প্রাইভেট ক্লাব হিসাবে ক্লাবের আন্তরিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বাক স্বাধীনতার ধ্বজাধারীরা এর বিরুদ্ধে একটি অক্ষরও খরচ করবেনা কারন বুদ্ধদেবের আমলে তসলীমা নাসরিন হোক বা মমতার আমলে তারেক ফাতে, পশ্চিমবঙ্গ আছে পশ্চিমবঙ্গেই। জেহাদিদের অন্যায় দাবীর কাছে মাথা নতকরাই এখানকার প্রশাসনিক রীতি। এখানে শাসক বদলালেই শাসন বদলায়না।কিন্তু ব্যাপারটা কি শুধু এইটুকুই? কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী ও তাঁর টীম প্রথমে যখন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন তখন অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল "দি সাগা অফ কাশ্মীর"। উদ্দেশ্য স্পষ্ট যে কলকাতাবাসীদের কাশ্মীরের ঘটে চলা জেহাদি অত্যাচার সম্পর্কে অবহিত করা। কিন্তু গত ৩০শে ডিসেম্বর ক্লাব কর্তৃপক্ষের অনুরোধে দীপ্তাংশু বাবুরা অনুষ্ঠানের শিরোনাম থেকে "সংবেদনাশীলতার"কারনে 'কাশ্মীর' শব্দটি বাদ দিতে রাজী হয়ে যান এবং তার বদলে বালোচিস্তান শব্দটি যোগ করেন।এখানেই দীপ্তাংশু বাবুরা তাদের প্রথম লড়াইতে হেরে যান কারন শব্দবদলের মাধ্যমে তাঁরা তাদের আপোষ করার মানসিকতাকেই প্রকাশ করে দেন। জেহাদি অত্যাচারকে প্রচার করাই যদি উদ্দেশ্য হত আর ক্যালকাটা ক্লাব যদিসেই কাজে সমর্থন না দিত সেক্ষেত্রে অনুষ্ঠানটা অন্য কোন স্থানেও করা যেতে পারতো। দীপ্তাংশু বাবুর নিজের দলের বেশকিছু কার্যকর্তার নিজস্ব ব্যাঙ্কোয়েট হলেও অনুষ্ঠানটা হতে পারতো। উদ্দেশ্যটা যখন কাশ্মীরের জেহাদি অত্যাচারকে কলকাতাবাসীর সামনে প্রকাশ করা তখন ক্যালকাটা ক্লাবই কি একমাত্র জায়গা? এটা অনেকটা এরকম ঘটনা যে প্রথমে ঠাকুর্দা-ঠাকুমার নির্দেশে বাড়ির কেউ মুরগীর মাংস খেত না। পরে নিয়ম একটু শিথিল হল যে বাইরে খেতে পারে কিন্তু ঘরে মুরগীর মাংস ঢুকবেনা। পরে আরও শিথিল হল যে ঘরে ঢুকতে পারে কিন্তু আলাদা বাসনে রান্না করতে হবে। অবশেষে বাড়িতে যখন একইবাসনে মুরগীর মাংস রান্না হতে লাগলো তখন সেই ঠাকুর্দা-ঠাকুমাজাত নষ্ট হওয়ার জন্যে কান্নাকাটি করতে লাগলেন।
What's app থেকে সংগৃহীত
What's app থেকে সংগৃহীত
No comments:
Post a Comment